জনাব হাবিবুর রহমান, বিপিএম(বার), পিপিএম(বার)

ডিআইজি, ঢাকা রেঞ্জ

জীবনী বানী পুলিশ মহাপরিদর্শক মহোদয়ের বানী

আগস্ট 6, 2019

আশুলিয়ার অপহরণকৃত নাবালিকাকে কক্সবাজার থেকে উদ্ধার, আসামি গ্রেফতার

বাবা মা একমাত্র আদুরে মেয়েকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করবে, এ ছিল তাদের অনেক স্বপ্ন। সে স্বপ্ন বাস্তবায়নে তাদের চেষ্টার কোন কমতি ছিল না। মেয়েটিও তার সাধ্যমত লেখাপড়া করে যাচ্ছিল। ভাল স্কুলে ভাল লেখাপড়া হবে সে কারণে পাশের থানার নামকরা স্কুলে ভর্তি করেছিলেন। সপ্তম শ্রেণীর মেধাবী ছাত্রী হিসেবে ইতোমধ্যে গাজীপুর জেলার কাশিমপুর থানাধীন গ্লোরিয়াস মডেল হাই স্কুলে সুনাম কুড়িয়েছেন মেয়েটি। এলাকার বখাটে ছেলে মারুফ ও তার সহযোগী আসামি মেয়েটির সব স্বপ্ন ভেঙ্গে গত ৩১ জুলাই বিকেলে অপহরণ করে নিয়ে পালিয়ে যায়। এরপর অনেক খোঁজাখুজি করে না পেয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশের সাহায্য কামনা করেন ভিকটিমের বাবা। তার অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ০৩ আগস্ট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৭/৩০ ধারায় মামলা রুজু হয়। প্রযুক্তির সহায়তায় ০৪ আগস্ট ভিকটিমকে কক্সবাজার সদরের সী নাইট রিসোর্ট থেকে আসামি মারুফের হেফাজত হতে উদ্ধার করা হয়। আটক করা হয় মূল আসামি মারুফকে।

মামলার অভিযোগকারী ভিকটিমের বাবা আশুলিয়া থানার ভাদাইল এলাকার বসিন্দা। অপরদিকে আসামি মারুফের স্থায়ী ঠিকানা ধামরাই থানার বাথুলি এলাকায়। সে ভাদাইল এলাকায় ভিকটিমের বাসার পাশে ভাড়া বাসায় বসবাস করে। তার বাবার নাম মজনু মিয়া। মারুফ স্থানীয়ভাবে বখাটে হিসেবে পরিচিত। প্রেম নিবেদন করে ইতোপূর্বে উত্যক্ত করার বিষয়টি ভিকটিমের পরিবার আসামির পরিবারকে জানিয়ে কোন সুরাহা পায়নি। বরং আসামির অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে ভিকটিমের লেখাপড়া বন্ধ হওয়ার পথে বসেছিল। তদন্তকারী অফিসার আশুলিয়া থানার এসআই রাম কৃষ্ণ দাস মামলা রুজুর মাত্র একদিনের মধ্যে মামলার ভিকটিম উদ্ধার ও আসামি গ্রেফতার করে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে আলোচনায় এসেছেন। আসামি মারুফকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ পূর্বক ০৫ দিনে পুলিশ রিমাণ্ডের আবেদন করা হয়েছে। অপরদিকে উদ্ধারকৃত ভিকটিমের জবানবন্দি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২২ ধারায় ঢাকার চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে গৃহীত হয়েছে। পুলিশের তদন্তে দ্রুত সাফল্য অর্জন করায় স্থানীয় লোকজন সাধুবাদ জানিয়েছেন পুলিশকে।